[[ E-pub ]] ✒ বাংলাদেশের রাজনৈতিক জটিলতা ⇯ PDF eBook or Kindle ePUB free

বর্তামানে একজন আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি সমর্থক যেভাবে একে অপরকে মূল্যায়ন করে ঠিক একইভাবে ১৯৭০১৯৭৫ সালে একজন কমিউনিস্ট পার্টির নেতা বঙ্গবন্ধু এবং তৎকালীন (তাঁর) সরকারকে মূল্যায়ন (সমালোচনা) করে। তৎকালীন কমিউনিস্ট ধারনার দল (সমাজতান্ত্রিক দল যেমন জাসদ, কমিউনিস্ট পার্টি, সর্বাহার ইত্যাদি) সম্পর্কে অনেক বই পুস্তকে পাওয়া যায় যে, তারা গঠিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধু সরকারকে উৎখাত করার মূলনীতি নিয়ে। আহমেদ সফা কিছুদিনের জন্য ছিলেন এই কমিউনিস্ট পার্টির একজন সদস্য এবং নেতা। তাঁর লেখা বইয়ে স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর ৭১ পরবর্তী সরকারের কড়া সমালোচনা ছাড়া অন্য কিছু পাওয়া যাবে না এবং সেটাই হয়েছে। এখানে উল্লেখ করা দরকার সত্তুর/ আশির দশকে সমাজতান্ত্রিক ফ্রন্ট তৈরি হয়েছিল আওয়মীলীগের ওই সব সদস্য দিয়ে যাদের সাথে আওয়ামীলীগের অন্য গ্রুপের মতের মিল হয়নি।এই বইটি যে কারণে ভালো লাগেনি বা গ্রহণযোগ্য মনে হয় নাই০১ লেখক একটি ইতিহাস বই লিখেছেন অথচ একটা রেফারেন্স ব্যবহার করেন নাই। লেখকের সব কথা কিভাবে বিশ্বাস করা যায়? তার কথা অন্ধ অনুসরণ করার কোন কারণ খুজে পাইনা। বিশেষকরে, তিনি ছিলেন একজন কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য যারা এন্টি আওয়ামী হিসেবে পরিচিত। একজন এন্টি আওয়ামী স্বাভাবিক ভাবেই আওয়ামীলীগের সমালোচনা করবেন, হয়েছেও তাই। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু এবং তার প্রত্যেকটি পদক্ষেপকে সমালোচনা করেছেন। আসলে বলতে গেলে স্বাধীনতা এবং তার পরবর্তী প্রতিটি বিষয়কেই তিনি সমালোচনা করেছেন। এটা আসলে ইতিহাস বই না, একটা সমাজতান্ত্রিক মনোভাবের লোকের তাদের বিরোধীদল আওয়ামীলীগের সম্পর্কে একান্ত নিজস্ব মতামত এবং সমালোচনা।০২ এই বইয়ে অনেক গুজামিল টাইপের মতামত আছে, যেগুলো অন্য কোন লেখকের সাথে মিলবে না। কয়েকটা উল্লেখ করা যেতে পারে। লেখক বলেছেন, যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের কোন পূর্ব প্রস্তুতি ছিল না। যার জন্য ভরতে এক কোটি লোক গিয়েছিল। ফলে যুদ্ধ ভারত নির্ভর হয়েছিল। লেখক এরপরে মতামত দিয়েছেন ভারত থেকে যদি আগে অস্ত্র কিনে রাখা হত এবং প্রতিরোধ করা হত তাহলে ভারতে এত লোক যেত না এবং ভারত নির্ভর হওয়া লাগত না। মাথায় আসে না, ভারত থেকে অস্ত্র কিনে এবং তাদের সাথে নিরাপত্তা চুক্তি করে কিভাবে ভারত নির্ভর না হয়ে থাকা যায়? আর ভারত থেকে পূর্ব পাকিস্তানে তখন অস্ত্র কেনার কি কোন উপায় ছিল? আর যদি উপায় থেকেও থাকে, তাহলে পশ্চিম পাকিস্তানের চোখ এড়ানো কিভাবে সম্ভব ছিল? আগরতলায় সামন্য একটা বৈঠক করে ৩৫ জনের ফাঁসির আদেশ হয়েছিল লেখক বোধহয় এটা ভুলে গিয়েছেন সমালোচনা করতে করতে। লেখকের দেওয়া এমন অনেক যাচ্ছেতাই যুক্তি আছে যোগুলা রেফারেন্স সহ আলোচনা করতে গেলে এক সপ্তাহর বেশী লেগে যাবে।০৩ এছাড়া তিনি ছয় দফা, মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধ শুরুর ইতিহাস সম্পর্কে নিজের মনগড়া তথ্য দিয়েছেন যার কোন ভিত্তি নাই বলে মনে হয় কারণ তিনি কিভাবে এই সব তথ্য পেয়েছেন সে সম্পর্কে কছু উল্লেখ করেন নাই। [[ E-pub ]] ⇧ বাংলাদেশের রাজনৈতিক জটিলতা ☞ Amazing Books, বাংলাদেশের রাজনৈতিক জটিলতা author Ahmed Sofa This is very good and becomes the main topic to read, the readers are very takjup and always take inspiration from the contents of the book বাংলাদেশের রাজনৈতিক জটিলতা, essay by Ahmed Sofa Is now on our website and you can download it by register what are you waiting for? Please read and make a refission for you বইটা পড়া শেষ করেছি গতকাল রাত্রে কিন্তু কিছু লিখতে পারিনি! কিছু বই আছে যেগুলো পড়ার পর আসলে হজম করতে একটু সময় লাগে! এই বইটাও তাই! আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, এর পিছনের বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির যে বিশাল হাত আছে তা সম্বন্ধে খুব আবছা আবছা ধারণা ছিল কিন্তু এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পাওয়ার জন্য এই বইটার দরকার ছিল! এই বিষয়ে আসলে লিখতে খুব কম মানুষই মনে হয় সাহস পেয়েছে আর কেউ গুছিয়ে লিখলেও সেটা পড়ার সৌভাগ্য আমার হয়নি! খুব অল্প কথাতে অনেক কিছুই উনি ক্লিয়ার করেছেন তাই পড়তে ভালো লেগেছে।'যে যেভাবেই ব্যাখ্যা করুন, বাংলাদেশে একটি মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। রাশিয়া চায়নি, আমেরিকা চায়নি, ভারত চায়নি, চিন চায়নি, পাকিস্তান চায়নি বাংলাদেশে বাঙালিদের একটি জাতীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হোক। তথাপি বাঙালি জনগণের দাবি অনুসারে এখানে একটি যুদ্ধ হয়েছে, হত পারে সে যুদ্ধের ফলাফল অপরে আত্মসাৎ করেছে।' কথাগুলো ভালো লাগছে, এর পরে আর কোন কথা হতে পারে না! আমার মনে হয় বাংলাদেশের সকলেরই এই বইটা একবার হলেও পড়া উচিৎ! অত্যন্ত সাহসী একটি বই। বাংলাদেশের জন্মবৃত্তান্তের সংঘাতময় ইতিহাস মনে হয়না কেউ এত খোলাখুলি ভাবে বিশ্লেষণ করেছেন এর আগে। ছোট্ট একটি ভূখণ্ড বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কেন্দ্র করে যে নোংরা গেঁয়ো রাজনীতি আন্তর্জাতিক ময়দানে খেলা হয়েছে তা পড়তে গেলে প্রচণ্ড দুঃখ পেতে হয়। স্বার্থ হাসিলের জন্য দলাদলি আমাদের দেশের তৎকালীন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও মোটেও কম হয়নি বরং যে মানুষগুলোর (ও দলগুলোর) নাম আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতোভাবে জড়িত, তাদের ভূমিকা জানলে লজ্জায় আপনিই মাথা হেঁট হয়ে যায়! আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক শাসন ব্যবস্থা নিয়ে লেখক প্রায়ই ব্যঙ্গ করেছেন, কিন্তু ব্যঙ্গের সেই হাসিটা তো শেষ পর্যন্ত আমাদের গায়েই এসে পড়েছে। কী অসামান্য মনোবেদনা নিয়ে তিনি এই বিশ্লেষণটি করতে বসেছেন, তা শুধু কল্পনাই করা যায়। স্বাধীনতা কোন রাজনৈতিক দলের একার অর্জন নয় মোটেও, বরং তা এখানের ছাত্র কৃষক সমাজের অসামান্য ত্যাগের ফসল, এই ব্যাপারটি বার বার উঠে এসেছে। অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির যে ধুয়ো তোলা হয়েছিলো, তা শুধু কথাতেই রয়ে গেছে, কখনো বাস্তবায়িত হয়নি (যার ফল এখনও বিদ্যমান)। আমার মনে হয়, সত্যান্বেষী একটি প্রজন্মের জন্য এটি অবশ্যপাঠ্য। আহমদ ছফা কে অসংখ্য ধন্যবাদ পরবর্তী প্রজন্মগুলোর জন্য এমন একটি প্রামাণ্য দলিল রেখে যাবার জন্য।